আসুন জানি মহাসত্যের পরিচয়
অনেকদিন আগে একটা কৌতুক শুনেছিলাম। এক লোকের খুব বড় গোঁফ ছিল। সে মদ পান করার সময় এক হাতে গোঁফ উচু করে রাখত যাতে তা মদে ভিজে না যায়। একদিন সে এ'ভাবেই মদ পান করছিল আর সেটা দেখে তার এক বন্ধু এর কারণ জানতে চাইল। সে বল্ল 'কেন তুমি জান না গোঁফে ভিজিয়ে কিছু পান করা মাকরুহ?'
void(1);
সম্প্রতি এই ছবিটা দেখে ঐ কৌতুকটার কথা মনে পড়ে গেল।
ছবিতে দেখা যাচ্ছে আফগানিস্তানের ক্রিকেটারগন খোলা মাঠে জামাতবদ্ধ হয়ে নামাজ আদায় করছেন। অনেকেই তাদের প্রশংসায় পঞ্জমুখ হলেও আমার মনে হয় বিষয়টা ঐ গোঁফ উচিয়ে মদ পানের চেয়ে ভিন্ন কিছু নয়।
ছোট বাচ্চাদের শরির চর্চা বা সুস্থ বিনোদনের জন্য খেলাধুলার অনুমোদন থাকলেও এই ধরনের ব্যাপক অপচয়মুলক আয়োজন বা পেশাদারী খেলা যে ইসলাম অনুমোদিত নয় সে ব্যাপারে প্রায় সব আলেমই একমত। এইসব খেলায় বিপুল পরিমান অর্থ ও বিশাল সংখ্যাক মানুষের বিপুল সময় অপচয় ছাড়াও বিজয়ীর মাঝে যে গর্ব অহংকারের সৃস্টি হয় তা কীভাবে ধর্মসম্মত হতে পারে?
খেলাধুলার এইসব বড় বড় আয়োজন করা হয় মুলত মানুষকে তার দ্বায়িত্ব কর্তব্য থেকে ভুলিয়ে রাখার জন্য। দু:খ কষ্ট ভুলে থাকার জন্য মানুষ যেভাবে মাদক সেবন করে - এটাও অনেকটা সেই রকম।
শাষক গোষ্ঠি তাদের নানাবিধ অপকর্ম থেকে মানুষের দৃস্টি ভিন্ন দিকে সরিয়ে রাখা এবং যুবসমাজকে প্রতিবাদী হওয়ার পরিবর্তে খেলা নিয়ে ব্যাস্ত রাখার জন্যও বিপুল পরিমান রাস্ট্রীয় সম্পদ ব্যায় করে এই সব খেলার আসর বসায়। অথচ দেখা যায় সেই দেশেই বহু মানুষ সামান্য অর্থের অভাবে ধুকে ধুকে মারা যাচ্ছে।
তাই এ'ধরনের অকল্যানকর/অনৈসলামীক আয়োজনের সাথে সংশ্লিস্ট থেকে প্রকাশ্য মাঠে নামাজের প্রদর্শনী করার মধ্যে প্রশংসনীয় কী থাকতে পারে?
×××××××××××××××××××××××××××××××××××××××××××××
আসুন জানি মহাসত্যের পরিচয়
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।