এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের ত ই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের ঝিঁঝিঁ পোকার বাগানে নিমন্ত্রণ। http://zizipoka.com/
আজ প্রথম আলোতে চমৎকার এই খবরটি পড়লাম।
নিরাপদ সড়কের দাবি
হাজার মাইল হেঁটে পাড়ি
বেলা তখন আড়াইটা। ঘটনাস্থল দেশের একেবারে দক্ষিণে কক্সবাজারের টেকনাফ পৌরসভার আলিয়াবাদ জিরো পয়েন্ট। এক তরুণ এসে কান্নায় ভেঙে পড়লেও তাঁর ক্লান্ত-বিধ্বস্ত চোখেমুখে তখন বিজয়ের আনন্দ।
৪৫ দিনে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া থেকে এক হাজার চার কিলোমিটার পথ হেঁটে তিনি টেকনাফে পৌঁছান।
নিরাপদ সড়ক আর যানজটমুক্ত রাজধানীর দাবিতে এই তরুণ গত ২৬ আগস্ট তেঁতুলিয়া থেকে হাঁটা শুরু করেন। ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে গতকাল বিশেষ এক দিনে (১০-১০-১০) টেকনাফে এসে পৌঁছান আরিফুল ইসলাম (২৪)। আরিফ নওগাঁর আত্রাই উপজেলার ভর তেঁতুলিয়া গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে। তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে বিবিএ শেষবর্ষের ছাত্র।
বেলা আড়াইটায় টেকনাফ জিরোপয়েন্টে পৌঁছেই আরিফ বলেন, ‘শারীরিক শক্তি আর মানসিক ইচ্ছাটা ছাড়া আমার আর কিছুই নেই। আমি নিরাপদ সড়কের পক্ষে একজন স্বেচ্ছাসেবক মাত্র। নিরাপদ সড়ক প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে এত দিন কঠোর পরিশ্রম করেছি, হেঁটেছি হাজার মাইল পথ। এখন আর সড়কে হাঁটা হবে না। সড়কের সঙ্গে আমার আত্মীয়তা শেষ হয়ে গেল।
’ এই বলে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।
‘নিরাপদ সড়ক চাই, যানজটমুক্ত রাজধানী চাই, পায়ে পায়ে তেঁতুলিয়া থেকে টেকনাফ’ লেখা একটি ব্যানার শরীরে বেঁধে এক হাজার কিলোমিটারের বেশি সড়ক অতিক্রম করেন আরিফ। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিল একটি ছাতা, দুটি গেঞ্জি, দুটি প্যান্ট, একজোড়া জুতা ও কিছু কাগজপত্র। তিনি জানান, এ পর্যন্ত আসতে তাঁকে এক মিনিটের জন্যও বাসে উঠতে হয়নি। এমনকি বৃষ্টিতে ভিজেও শারীরিক কোনো সমস্যা হয়নি তাঁর।
তেঁতুলিয়া থেকে টেকনাফ পর্যন্ত তিনি ৮০-৯০ হাজার মানুষের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে নিরাপদ সড়ক প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে কথা বলেছেন। এ সময় বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার প্রায় দুই হাজার মানুষের স্বাক্ষর সংগ্রহ করেছেন তিনি। এই ৪৫ দিনে তাঁর ১৮ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। আরিফ বলেন, ‘তেঁতুলিয়া থেকে ঢাকায় আসার পথে ছয়টি সড়ক দুর্ঘটনায় নয়জনকে মারা যেতে দেখেছি। সড়ক অনিয়ন্ত্রিত ও ফিটনেসহীন যানবাহনে ভরা।
’
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানতে চাইলে আরিফুল জানান, ‘মহাসড়ক—টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া’ নামের একটি বই লেখার ইচ্ছা আছে তাঁর।
গত বছরের জুলাইয়ে আরিফুল ইসলাম ঢাকার সাভারে অনুষ্ঠিত প্রথম আলোর ‘বদলে যাও, বদলে দাও’ শপথের ব্যানারে লিখেছিলেন, ‘আমি বদলে গেছি, তোমরা সবাই বদলে যাও।
----------------------------------
আমরা চাইলেই কত কিছুই করতে পারি......
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।