একসময়ে যে ছাত্ররা জাতিকে আশা-ভরসার পথ দেখিয়েছে, যে ছাত্ররা সরকারের অন্যায় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে, নিজের বুকের রক্ত ঢেলে দিয়ে জাতির চলার পথকে মসৃণ করেছে, আজ সেই ছাত্র-রাজনীতি কতগুলি অসচ্চরিত্র নেতাদের পৃষ্ঠপোষকতায় অন্ধকারের পথ ধরেছে। নিজেদের মধ্যে হানাহানি, অসৎপথে টাকা রোজগারের নেশা-র মত সর্বনাশা খেলায় মত্ত হয়ে মা-বাবা এমনকি জাতির আশাকেও করছে কলঙ্কিত। মা-বাবা বহু কষ্ট করে শিক্ষাঙ্গনে পাঠায় ছেলে মানুষ হবে এই আশা বুকে নিয়ে। আর সেই ছেলেগুলো যখন পাঠ্যবই দুরে ঠেলে ফেলে হাতে রামদা, কিরিচ, নানান ধরণের আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে শিক্ষাঙ্গনের পরিবেশকে বিষাক্ত করে তুলে, তখন গোটা জাতিই বিমর্ষতার ভারে ন্যুব্জ হয়ে উঠে। তাই সরকারকেই প্রথমে পদক্ষেপ নিতে হবে ছাত্রলীগের নাম ভাঁড়িয়ে যারা একের পর এক দুষ্কর্ম করে চলেছে, তাদের অবিলম্বে তের শিকের ভেতরে পাঠানো। তারপর একই কর্ম যদি ছাত্রদলের ছেলেরা করে থাকে, তাদেরকেও একই শিক্ষা দিতে হবে। মোদ্দা কথা, শিক্ষাঙ্গনের পবিত্রতা ও শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে হলে এর অন্য কোনই বিকল্প নেই।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।