মোহাম্মদ আবুল হোসেন: ইসরাইলি প্রেসিডেন্ট শিমন পেরেজ বেঁচে আছেন ফিলিস্তিনের যোদ্ধা গোষ্ঠী হামাসের অন্যতম এক প্রতিষ্ঠার ছেলের দেয়া নিরাপত্তায়। তার নাম মোসাব হাসান ইউসুফ। তার পিতা শেখ হাসান ইউসুফ। তিনি ২০০০ সালের আগস্ট পর্যন্ত হামাসের প্রধান ছিলেন। তারই ছেলে মোসাব হাসান ইউসুফ ‘গ্রিণ প্রিন্স’ কোডনামে পরিচিত ইসরাইলি গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেত-এ।
প্রায় এক দশক ধরেন তিনি ইসরাইলের পক্ষে গোয়েন্দাগিরি করছেন। এ সময়ে তিনি তখনকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিমন পেরেজকে ২০০১ সালে ক্ষমতাচ্যুত করার এক চক্রান্ত নস্যাৎ করে দেন। মোসাব হাসানের মতে, তার পিতা শেখ হাসান ইউসুফ যখন হামাসের বোমা বিশেষজ্ঞ আবদুল্লাহ বারগুতির সঙ্গে দেখা করতে যান তখন তিনি তার পিতার সহকারী এবং ড্রাইভার ছিলেন। ওই সাক্ষাতে বারগুতিকে তেল আবিব ও জেরুজালেমে দুটি বড় হামলা চালাতে আহ্বান জানান। কারণ তিনি আশঙ্কা করছিলেন- প্রতিশোধ নিতে ইসরাইল পশ্চিম তীরে আগ্রাসন চালাতে পারে।
কিন্তু বারগুতি বলেন, ততক্ষণে তিনি শিমন পেরেজের গাড়ি উড়িয়ে দিতে চারটি বোমা তার দলীয় যোদ্ধাদের হাতে দিয়ে দিয়েছেন। তিনি যাদের হাতে বোমা তুলে দিয়েছেন তাদের সঙ্গে কথা বলার জন্য তখনকার তরুণ ইউসুফকে একটি নতুন মোবাইল কিনতে পাঠান যাতে ওই মোবাইল দিয়ে তিনি বোমা হামলার পরিকল্পনাকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করতে পারেন। শেষে ওই মোবাইলটি ধ্বংস করে ফেলার পরিকল্পনা নেয়া হয় যাতে প্রমাণ বলতে কিছু না থাকে। কিন্তু মোসাব হাসান ইউসুফ মোবাইল কিনলেন ঠিকই। তবে তিনি আগেভাগেই সেই মোবাইলের নম্বর জানিয়ে দেন ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেতকে।
ফলে তারা ওই নম্বরটি সার্বক্ষণিক মনিটরিং করতে থাকে। এভাবে ব্যর্থ হয় হামলা। এভাবে তিনি কয়েক ডজন বোমা হামলা ও হত্যা পরিকল্পনা নস্যাৎ করেছেন।
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।