জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ভাঙছে না। বিভাগীয় পর্যায়ে ৬টি আঞ্চলিক কেন্দ্রের মাধ্যমে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম পরিচালনার সুপারিশ করা হয়েছে। আর যেসব অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ উঠছে, তা নিরসনে বিশ্ববিদ্যালয়কেই কঠোর ভ‚মিকা পালন করতে হবে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ভেঙে দেয়া সংক্রান্ত সরকার গঠিত উচ্চপর্যায়ের কমিটি এই সুপারিশ করতে যাচ্ছে বলে সংশি¬ষ্ট দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে। কমিটির এই সিদ্ধান্তের কারণে সারাদেশে প্রায় দু’হাজার ডিগ্রি ও অনার্স পর্যায়ের কলেজ এবং প্রায় ১৬ লাখ শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারী টেনশনমুক্ত হবে।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ এবং শিক্ষক নেতা অধ্যাপক কাজী ফারুক আহমদ জানান, দেশের গরিব জনগোষ্ঠীর সমমানের উচ্চশিক্ষার ঠিকানা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলে তা সাধারণ মানুষের উপকারে আসবে।
বৈঠক সূত্র জানায়, ৬টি আঞ্চলিক কার্যালয়কে পরে এক একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপ দেয়ার মতো করে গড়ে তোলার জন্য পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা দিয়ে গড়ে তোলার সুপারিশও করা হচ্ছে। বৈঠকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে প্রেরিত সুপারিশও পর্যালোচনা করা হয়। মূলত তারই ভিত্তিতে কমিটি এটি ভেঙে দেয়ার অবস্থান থেকে সরে এসেছে।
ওই সুপারিশেই মূলত বিশ্ববিদ্যালয়টি না ভেঙে ৬টি আঞ্চলিক কার্যালয়ের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার কথা বলা হয়েছিল। কমিটিতে দায়িত্ব পালন করেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়েরই দুই উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাঈদ খান ও অধ্যাপক ড. তোফায়েল আহমেদ চৌধুরী এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক কাজী ফারুক আহমেদ। এছাড়া ডিন ড. আবু রায়হান এবং ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার শহীদুর রহমানও সদস্য ছিলেন।
Click This Link
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।