রাজশাহীতে একটি ছাত্রাবাস থেকে গতকাল সোমবার রাতে এক নারীর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁর নাম ফজিলা খাতুন (৩৫)। পুলিশের দাবি, ফজিলার সাবেক স্বামী নওশাদ এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক।
এ ঘটনায় ফজিলার বড় বোন শামীমা আরা পারুল বাদী হয়ে মতিহার থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন।
মামলায় ফজিলার সাবেক স্বামী নওশাদ আলীকে আসামি করা হয়েছে।
নিহত ফজিলা খাতুনের বাবার নাম আসাদুজ্জামান। বাড়ি নগরের মতিহার থানার মির্জাপুর এলাকায়।
ফজিলার পরিবার জানায়, দুই বছর আগে নওশাদ আলীর (৪০) সঙ্গে ফজিলার বিয়ে হয়। নওশাদের বাড়ি পবা উপজেলায়।
পারিবারিক কলহের কারণে দুই মাস আগে তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। এর পর থেকে ফজিলা খাতুন তাঁর বাবার বাড়িতে ছিলেন। কিন্তু সাবেক স্বামী নওশাদ কয়েক দিন ধরে ফজিলার সঙ্গে দেখা করার চেষ্টা করছিলেন। ফজিলার ছোট বোন খালেদা বেগম জানান, গতকাল সোমবার বিকেলে তিনি (খালেদা বেগম) ফজিলার সঙ্গে রিকশায় ঘুরেছেন। এ সময় ফজিলার সাবেক স্বামী নওশাদ তাঁর সঙ্গে দেখা করার জন্য মুঠোফোনে ফোন করেন।
সন্ধ্যার পর থেকে ফজিলাকে আর পাওয়া যাচ্ছিল না। খোঁজাখুঁজির পর গতকাল রাতে বাড়ির পাশের এক ছাত্রাবাসে ফজিলার গলাকাটা লাশ পাওয়া যায়। পুলিশ রাত ১১টার দিকে লাশটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। ।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।