[অন্যর দোষ না খুঁজে আগে যদি সবাই নজের দোষটা খুঁজত তাহলে বোধহয় সব সমস্যার সমাধান হয়ে যেত]............... [পথের শেষ নেই, আমার শেষ আছে, তাইত দ্বন্দ্ব] http://mamunma.blogspot.com/
ইফতেখার তিনজনের সম্মুখে এসে বসার পরে স্বাভাবিক নাম ধাম জিজ্ঞাসের পর্ব শেষ হতেই প্রথম মুখ খুলেছিলেন সূচিত্রা চৈতালী। বলেছিলেন যে সে নিশ্চয় গান গাইতে জানে বিধায়ই এখানে এসেছে বলে তারা ধরে নিচ্ছে। তাই গান শোনাটা তাদের কাছে মুখ্য বিষয় না। সেটা গৌণ। গান শোনার আগে তাকে কিছু প্রশ্ন করা হবে যার উপর নির্ভর করবে মূলত তার প্রতিভাবিকাশের যোগ্যতা।
গান শোনা হবে তারই পরে। সাথে দীপ্তও যোগ করলেন এই বলে যে, মানুষ যখন সুযোগ পায় তখন মোটামুটি পারদর্শিতাটাও দতায় পর্যবসিত হয়। তাই সুযোগ পাওয়ার প্রচেষ্টাই পারদর্শিতার চেয়ে বড় ও ইমপরটেন্ট। বঙ্কিম যদিও এই দুজনের কথা শুনে মিটিমিটি হাসছিলেন তবুও পরমুহূর্তেই তারা বেশ সিরিয়াসের সাথেই প্রশ্ন করা শুরু করেছিলেন এবং প্রশ্নের ব্যাপারে তারা পূবেই আলোচনা করে রেখেছিলেন।
মিঃ ইফতেখার কে প্রথম প্রশ্নটা করেছিলেন কামরুল আহসান দীপ্ত।
দীপ্তঃ আপনি কেনো বিশ্বাস করেন যে আমরা বিখ্যাত বলেই আপনাকে বিখ্যাত বানাতে পারব?
ইফতেখারঃ আপনারা তিনজন এতটাই বিখ্যাত , এতটাই খ্যাতি আপনাদের , আপনারা যাকে সাপোর্ট দেবেন তার প্রতি মানুষ আকৃষ্ট হবেই।
বঙ্কিমঃ আর আপনি আর্থিক যে ব্যাপারটার কথা লিখেছেন তার কারন কি?
ইফতেখারঃ ঐ সেই একই কারন। আপনাদের অর্থ আছে, অর্থই সকল ক্ষমতার উৎস। চাইলেই অর্থ ব্যয়ে আপনারা যে কাউকে প্রমোট করতে পারবেন, মানুষের সামনে , মানুষের দোরগোড়ায় আমাকে আর আমার টেলেন্টকে হাজির করাতে পারবেন।
সূচিত্রাঃ তারমানে আপনি কি মনে করেন আপনার মাঝে কোন প্রতিভা না থাকলেও ...
ইফতেখারঃ হ্যাঁ অনেকটা সম্ভব।
সুযোগ , অর্থ আর ক্ষমতা প্রতিভা তৈরী করে দেবে এমনেতেই। তবুও কিছুটা তো থাকতেই হবে।
দীপ্তঃ কিছুটা মানে কতটা।
ইফতেখারঃ একজন নায়িকা হতে গেলে চেহারা আর একজন সংগীত শিল্পী হতে গলে এটলিস্ট বাক শক্তি
সূচিত্রাঃ গুড। ওকে এবার একটা বিশেষ প্রশ্ন।
যে প্রশ্নটি আপনাকে এখন করা হবে এটি আমরা আপনার পরবর্তী সকলকেই করব। যোগ্যতা পরিমাপের এটি আমাদের নিজস্ব বিশেষ পন্থা মনে করতে পারেন।
আপনাকে বলতে হবে এই যে আমরা তিনজন খ্যাতিমান । আমাদের এই খ্যাতির পেছনের কারন কি বলে আপনি মনে করেন। আপনার কি ধারনা, আমার কিভাবে এতদূর আসতে পেরেছি।
বঙ্কিমঃ শুরু করার আগে একটু বলে রাখি যেহেতু অন্যের ব্যাপারে আপনাকেত বলা হচ্ছে তাই অজান্তে সুনির্দিষ্টভাবে যে আপনার পে বলা সম্ভব নয় তা আমরা বুঝি। তাই আপনি মনে করবেন আমরা তিনজন হলাম এখানে একটা প্রতীক। প্রতিভা বিকাশের প্রত্রিয়া সম্পর্কে আপনার ধারনাটাই আপনি কেবল আমাদের কে উপজীব্য করে বললেই যথেষ্ট হবে।
ইফতেখারঃ যেহেতু আপনারা নিজেদের ব্যাপাই প্রশ্নটা করেছেন। তাই আশা করব যে কোন উত্তর শোনার মতো ধৈর্য্য আপনাদের আছে।
পত্রিকার পাতায় আপনাদের সম্পর্কে যত লেখাই লেখা হোক না কেনো সবই আপনাদের খ্যাতির পরবর্তীকালে উন্মোচিত। তাই আপনাদের প্রতিভা ছিল, না চরম ভাগ্য ছিল নাকি চরম ত্যাগ তিতিা ছিল ওত সহজে ব্যক্ত করাও যাবেনা।
তারপরও যতটুকু জানা আছে তাতে বলতে পারি কামরুল সাহেবের বাবা ছিলেন প্রাক্তন একজন মন্ত্রী। সে হিসেবে তিনি যাই করতেন তাতেই সোনা ফলত। উনি পরিচালনা শুরু করেন , নাটক বানান আর সবই সোনা হয়ে গেছে।
বাবার নাম , মতা আর অর্থই ওনার যোগ্যতার মূল।
বঙ্কিম সাহেব যখন প্রথম বই প্রকাশ করেন তখন একটা ব্যাপক কেওয়াজ হয়েছিল। যার কারন অস্পষ্ট। ওনার প্রথম বইটি ব্যান করার জন্যে ব্যাপকত আন্দোলন হয়েছিল বলে শুনেছি এবং সেটাই ছিল তার টার্ণিং পয়েন্ট। পাঠক খেয়েছিল।
নিষিদ্ধ জিনিসের প্রতি আলাদা একটা আকর্ষন মানুষের সহজাত তো বটেই। তারপরও আমার একটা ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ আছে যাতে মনে হয় ঔ ব্যান বিষয়টি তিনি নিজেই ব্যবস্থা করেছিলেন ।
আর সূচিত্রা ম্যাডামের চেহারটাই আর সৌন্দর্যটা ই তার বড় সম্পদ যে চেহারার অনেক রকম ব্যবহার তিনি করতে পেরেছেন বলেই সুযোগ পেয়েছেন গাওয়ার আর অভিনয়ের।
ইফতেখারের এই সব উত্তর শুনে হতভম্ব হয়ে তাকিয়ে ছিলেন তিনজনই এবং জনগণ তাদের নিয়ে সত্যিকার অর্থে কি ভাবে তা ভেবে তারা প্রাথমকি পর্যায়েই একটা ব্যাপক নাড়া খেলেন। কথাবার্তা তাই আর বেশী ক্ষণ চালাতে চাইলেন না।
বরং এরপর ইফতেখারের প্রতিভার কিছু হালকা নিদর্শন দেখে মানে গান শুনে তাকে দ্রুত বিদায়ের ব্যবস্থা করলেন।
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।