[অন্যর দোষ না খুঁজে আগে যদি সবাই নজের দোষটা খুঁজত তাহলে বোধহয় সব সমস্যার সমাধান হয়ে যেত]............... [পথের শেষ নেই, আমার শেষ আছে, তাইত দ্বন্দ্ব] http://mamunma.blogspot.com/
অ্যাডটা তারা প্রথম পাতাতেই দিয়েছিল এবং সবচেয়ে জনপ্রিয় পাঁচটি পত্রিকায় একই দিনে।
তেমন বিশাল আকৃতির কোন অ্যাড না হলেও আলাদ একটা সৌন্দর্য ছিল সবুজ বর্ডারের উপর লাল রঙে লেখা এক ইঞ্চি দু কলামের অ্যাডটিতে। সেখানে মাত্র দুইলাইনে লেখা ছিল,
‘ আপনি যদি নিজেকে প্রতিভাবান মনে করেন এবং বিশ্বাস করেন আমরা পারব আপনার সে প্রতিভাকে বিকশিত করে দিতে তবে এখনি ফোন করুন ০১৩৩৪৪৬৭৯৯১ নম্বরে।
অনুরোধে:
সূচিত্রা চৈতালী
কামরুল আহসান দীপ্ত
বঙ্কিম হাসান প্রান্তিক’
অ্যাডের নিচে উল্লেখিত ব্যক্তিত্রয় স্বনামে এতটাই বিখ্যাত যে এর চেয়ে বেশী কিছু লেখার দরকারও ছিলনা। তারউপর তিন জনের সখ্যতার খ্যাতি ছিল জনশ্রুতি মাঝে যা তিন নামের একত্র অবস্থান অতি স্বাভাবিক ভাবেই কেবল তাদেরকেই ইনডিকেট করে।
তিনজনের মধ্যে বঙ্কিম হাসান প্রান্তিক মূলত একজন সাহিত্যিক। দেশের প্রথম সারির পাঁচজন সাহিত্যিকের নাম উল্লেখ করলে সেখানে অবশ্যই এই লোকটির নাম থাকবেই। সাহিত্যিক ছাড়াও তার আরও পরিচয় আছে। তিনি একজন শৌখিন ফটোগ্রাফারও। এ পর্যন্ত তিনি অনেকগুলো এক্সিবেশনও করে বেশ সুখ্যাতিও কুড়িয়েছেন।
সূচিত্রা চৈতালী বিশিষ্ট অভিনেত্রী। এক সময় নায়িকার অভিনয় করে খ্যাতির শীর্ষে থাকলেও ইদানীং বয়সের কারনে মূলত একজন চরিত্রাভিনেত্রী। অভিনয়ের বাইরে তিনি একজন প্রতিষ্ঠিত গায়িকাও। অভিনয় মূল হলেও মাঝে মাঝে গান গেয়ে থাকেন। গানের কয়েকটা ক্যাসেটও আছে তার।
বাকী ব্যক্তি টি মানে কামরুল আহসান দীপ্ত হলেন এই তিনজনের মধ্যে সবচেয়ে প্রভাবশালী , মতা এবং অর্থ দুদিক দিয়েই। তার সুখ্যাতির পরিমন্ডল অন্য দুজনের চেয়েও ব্যাপক। তার পরিচয়ের শেষ নেই। তিনি একাধারে একজন পরিচালক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী , সংগীত শিল্পী, একজন বিশিষ্ট শিল্প সংগঠক এবং সর্বোপরী একজন শিল্পপতিও বটে। এছাড়া তিনি চৈতালীর বর্তমান পতিদেবও ।
সেকারণেই তাই যত ক্ষুদ্র এবং অস্পষ্ট অ্যাডই হোক না কেনো ঐ তিন নাম একসাথে নিচে দেখে কারওরই চিনতে ভুল হবার কথা নয় এবং সে কারনেই গুরুত্ব পেয়েছিল যথেষ্ট আর তাই অ্যাড দেয়ার দিন সকাল থেকেই ফোনের হিড়িক পড়ে গিয়েছিল।
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।