[অন্যর দোষ না খুঁজে আগে যদি সবাই নজের দোষটা খুঁজত তাহলে বোধহয় সব সমস্যার সমাধান হয়ে যেত]............... [পথের শেষ নেই, আমার শেষ আছে, তাইত দ্বন্দ্ব] http://mamunma.blogspot.com/
সিরিয়াল করার ক্ষেত্রে তাদের বেশ ধকল যাচ্ছিল। কারন ঐ অল্প বক্তব্য যা লেখা ছিল সাদা কাগজগুলোতে তার মাঝে খুব একটা ভেরিয়েশন ছিলনা। শেষ মেষ তাই মোবাইল কোম্পানী থেকে তারা কলের একটা লিস্ট আনার ব্যবস্থা করেছিল এবং সেই লিস্ট দেখে অগ্রকলকারী কে আগে ডাকার ভিত্তিতে লিস্টটি তৈরী করেছিল। তারা মেনে নিয়েছিলেন যে প্রথম কল করতে পারাটাও একটা প্রতিভার লক্ষণ অথবা ভাগ্য। দুটো যেটাই হোক সে হিসেবে তাকেই আগে সুযোগ দেয়ার উচিৎ।
খ্যাতিমান তিনজন ঠিক করেছিল তারা প্রত্যেকদিন বিকেলে ৩ ঘন্টা করে ব্যায় করবে এই আয়োজনে। এতে এর আড়ালে তাদের বিশ্রামরে একটা সুযোগ ও হবে।
অংশগ্রহণকারীদের সাক্ষাতের নির্দিষ্ট দিনের ঠিক আগের দিন মেসেজে জানানো হবে । তার পূর্বে কাউকে নয়। এতে তারা এক্সটা প্রিকইশনের সুযোগ পাবেনা।
ফলে রিয়েলিটি বেশী উন্মোচিত হবে। প্রথম দিন তিনজনকে মেসেজ পাঠিয়ে আগমনের সময় জানিয়ে দেয়া হয়। এই কাজটিও অটোমেটিক করার ব্যবস্থা করা হয়েছিল মোবাইল কোম্পানী কে বলে। তাদের কে লিস্ট দিয়ে বলে দেয়া হয়েছিল প্রতিদিন তিন জন কে মেসেজ পাঠাবার জন্যে। মোবাইল কোম্পানীর জন্যে এই কাজগুলো খুব সহজই ছিল।
কেবল একটা ছোট প্রোগ্রাম তৈরী করে নেয়া জাস্ট।
নির্দিষ্ট দিন বিকেল ৪টায় অফিসে এসে পৌঁছান প্রথম আবেদনকারী। কামরুল আহাসন দীপ্তর অফিসের কনফারেন্স রুমে ব্যবস্থা করা হয়েছিল সাক্ষাতের । প্রথম সাক্ষাৎকারী ছিলো ২৯ বছর বয়সী এক যুবক। নাম ইফতেখার আলম।
খ্যাতিমান ব্যক্তিত্রয় মিঃ ইফতেখারের আবেদন পত্রটি সামনে নিয়ে যথাসমেই বসে ছিলেন কনফারেন্স রুমে। তার আবেদনে লেখা ছিল, সে একজন সংগীত শিল্পী এবং সে বিশ্বাস করে অ্যাডদাতা তিনজন খ্যাতিমান তার প্রতিভা খুব সহজেই বিকশিত করে দেয়ার ব্যবস্থা করে দিতে পারবে এই কারণে যে তারা তিনজন অতিমাত্রায় বিখ্যাত এবং আর্থিকভাবে ক্ষমতাধর। মূলত বেশীর ভাগ আবেদনে ওকেমই লেখা ছিল। বঙ্কিম সেইটা দেখে বেশ অবাকও হয়েছিল যদিও প্রথম দিন কল করা সাক্ষাৎকারীদের শেষোক্ত জন লিখেছিল প্রতিভা থাকলে অবশ্যই বিকাশ ঘটবে যদি ভাগ্যে থাকে। বঙ্কিক ঐ শেষোক্ত জন কে নিয়ে তাই একটু বেশী ভাবছিলেন।
ইফতেখার তিনজনের সম্মুখে এসে বসার পরে স্বাভাবিক নাম ধাম জিজ্ঞাসের পর্ব শেষ হতেই প্রথম মুখ খুলেছিলেন সূচিত্রা চৈতালী। বলেছিলেন যে সে নিশ্চয় গান গাইতে জানে বিধায়ই এখানে এসেছে বলে তারা ধরে নিচ্ছে। তাই গান শোনাটা তাদের কাছে মুখ্য বিষয় না। সেটা গৌণ। গান শোনার আগে তাকে কিছু প্রশ্ন করা হবে যার উপর নির্ভর করবে মূলত তার প্রতিভাবিকাশের যোগ্যতা।
গান শোনা হবে তারই পরে। সাথে দীপ্তও যোগ করলেন এই বলে যে, মানুষ যখন সুযোগ পায় তখন মোটামুটি পারদর্শিতাটাও দক্ষতায় পর্যবসিত হয়। তাই সুযোগ পাওয়ার প্রচেষ্টাই পারদর্শিতার চেয়ে বড় ও ইমপরটেন্ট। বঙ্কিম যদিও এই দুজনের কথা শুনে মিটিমিটি হাসছিলেন তবুও পরমুহূর্তেই তারা বেশ সিরিয়াসের সাথেই প্রশ্ন করা শুরু করেছিলেন এবং প্রশ্নের ব্যাপারে তারা পূবেই আলোচনা করে রেখেছিলেন।
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।