[অন্যর দোষ না খুঁজে আগে যদি সবাই নজের দোষটা খুঁজত তাহলে বোধহয় সব সমস্যার সমাধান হয়ে যেত]............... [পথের শেষ নেই, আমার শেষ আছে, তাইত দ্বন্দ্ব] http://mamunma.blogspot.com/
পত্রিকায় অ্যাডটি প্রকাশিত হবার ঠিক তিনদিন পর রাত ১২টায় নির্দিষ্ট মোবাইল নম্বরে অটোমেটিক ভয়েস মেসেজটি চালু হবার আগ মুহূর্ত পর্যন্ত সুবর্ণা রিসিভ করেছিল মোট ৯৯৭ জনের কল। অসাধারণ ধৈর্য্যরে সাথে সুবর্ণা তাদের প্রত্যেককেই প্রয়োজনীয় বার্তা শুনিয়ে দিয়েছিল।
সুবর্ণা মেয়েটা যেমন অসাধরণ রূপবতী তেমনই সে তড়িৎকর্মাও বটে। সে মূলত কামরুল আহসান দীপ্তের ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে বেতনভুক্ত হলেও ইদানীং সে বঙ্কিম হাসানের প্রকাশনী করেসপোনডেন্স এর কাজটাও সুন্দর ভাবে রক্ষা করে আসছিল। দীপ্ত সাহেবেরও তাতে কোন আপত্তি ছিলনা।
বঙ্কিম আর দীপ্তর মাঝে যে নিবীর সখ্যতা তা এই ব্যাপারটিকে সহজ করে দিয়েছিল। এই দুজন খ্যতিমানের পেছনে বেগাড় খাটার পেছনে সুবর্ণার একটা উদ্দেশ্য ছিল। তার ইচ্ছে ছিল খ্যতিমান অভিনেত্রী হবার। কাজটা তার জন্যে এত সহজ ছিলনা এই কারনে যে সে ভালই জানত তার সৃজনশীলতার লেভেল বলতে গেলে জিরোই। খালি রূপ দিয়ে তো আর দর্শকের মন জয় সম্ভব না।
তবুও সে আশাবাদী ছিল। সে জানত দীপ্ত আর বঙ্কিম এর সুনজর পড়লে প্রতিভা ছাড়াই তার খ্যাতি আসতে পারত। সে আরও বিশ্বাস করে, পেতে গেলে কিছু তো দিতেই হয়। তাই দীপ্ত আর বঙ্কিম এই দুজনেরই শয্যা সঙ্গী হতে তার কখনও মন বা দেহ বাধ সাধেনি। যার ফলে স্ক্যান্ডালে হোক আর কদরেই হোক তার নামটি খ্যাতিমান দুজনের পেছনে পেছনে পত্র পত্রিকায় অনেকখানি জায়গা ইতোমধ্যে দখল করে নিয়েছিল।
বঙ্কিম তাকে বলেছে আগামী বই মেলায় তার একটি উপন্যাসে লেখিকা হিসেবে তার নাম দেয়া হবে। সে জন্যে একটা লেখাও প্রায় শেষও করে ফেলেছেন তিনি। শয্যা ভালবাসয় বঙ্কিমের তরফ থেকে সেটা তার জন্যে উপহার সরূপ ছিল। দীপ্তও কথা দিয়েছে শীঘ্রই একটা নতুন ফিল্মে সূচিত্রার সমান্তরাল একটি চরিত্রে তাকে কাস্ট করা হবে। মনে এমন দুটি আনন্দ সংবাদের জোয়ারে এতই উচ্ছলতা ছিল যে প্রতিভা অন্বেষনের কাজটি সে নিজ থেকেই অতি উৎসাহে এনজয় করছিল।
নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ৯৯৭ জনের মধ্যে ৯০৭ জন প্রয়োজনীয় তথ্য লিখে জমা দিয়ে গিয়েছিল সুর্বনার কাছে অফিসে। বঙ্কিমের বাহুডোরে শুয়ে বসে সরারাত ধরে প্রাথমিক বাছাইয়ের কাজটি সুবর্ণা সমাপ্ত করেছিল বঙ্কিমের প্রত্যক্ষ সহায়তায়। যদিও বঙ্কিম চাইছিল এই ৯০৭ জনের প্রত্যেককেই ডাক হোক। অন্যরাও তাতে গড়রাজী হয়নি। তবে কাকে আগে আর কাকে পরে ডাকা হবে তার জন্যে একটা সিরিয়াল করেছিল বঙ্কিম আর সুর্বণা।
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।