গার্মেন্ট শ্রমিকদের লাগাতার বিক্ষোভ এবং পুলিশের সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষ আশুলিয়ায় অগি্নগর্ভ পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় কর্তৃপক্ষ গতকাল এ এলাকার সব গার্মেন্ট বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে। শ্রমিকরা ফুঁসে উঠেছে নতুন মজুরি কাঠামো বাস্তবায়নের দাবিতে। আজকের বাস্তবতায় পাঁচ হাজার ৩০০ টাকা সর্বনিম্ন মজুরি কাঠামো সত্যিকার অর্থেই কোনো মজুরি নয়। এ অর্থ দিয়ে এক ব্যক্তির তিন বেলা মানসম্মত খাবার খাওয়া যেমন সম্ভব নয়, তেমনি গার্মেন্ট শিল্প এলাকায় মানসম্মত এক রুমের একটি ঘর পাওয়াও দুষ্কর। তারপরও মালিকপক্ষ মজুরি কাঠামো মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছে। এ অস্বীকৃতি মজুরি কাঠামো সম্পর্কে শ্রমিকদের এক বড় অংশের মধ্যে যে অসন্তুষ্টি কাজ করছে, তাকে প্রকারান্তরে উসকে দিচ্ছে বললেও অত্যুক্তি হবে না। আমরা মনে করি, সরকারের সঙ্গে দরকষাকষির জন্য মালিকপক্ষ অস্বীকৃতির যে নাটক করছে, তা থেকে এখনই সরে আসা উচিত। গার্মেন্ট শ্রমিকদের মজুরি কাঠামো মেনে নিয়ে প্রয়োজনে সরকারের সঙ্গে দরকষাকষিতে নামলে সেটিই হবে উত্তম পথ। মালিকপক্ষ সরকার ঘোষিত মজুরি কাঠামো মানতে টালবাহানার আশ্রয় নেওয়ায় পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে উঠছে। গার্মেন্ট খাতকে তারা ঠেলে দিচ্ছে প্রচণ্ড ঝুঁকির মধ্যে। গার্মেন্ট শ্রমিকরা সর্বনিম্ন বেতন আট হাজার টাকা নির্ধারণের দাবি জানাচ্ছিল। সরকার দুই পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে গার্মেন্ট শ্রমিকদের সর্বনিম্ন মাসিক মজুরি নির্ধারণ করে। আমরা মনে করি, গার্মেন্ট শিল্পের অস্তিত্বের স্বার্থে দুই পক্ষকেই সহনশীল হতে হবে। শ্রমিকদের বুঝতে হবে গার্মেন্ট ভাঙচুর কিংবা সহিংসতা সমাধানের কোনো পথ নয়। অন্যদিকে মালিকপক্ষকে বুঝতে হবে, শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি না মেনে গোঁয়ার্তুমি দেখানো নিজেদের পায়ে কুড়াল মারার নামান্তর। আমরা শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি পাওয়ার অধিকারকে সমর্থন করলেও কথায় কথায় বিক্ষোভ কিংবা সহিংসতাকে ধিক্কার জানাই। আমাদের মতে, গার্মেন্ট শিল্পের স্বার্থে শ্রমিক ও মালিকপক্ষের মধ্যে আস্থার সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে।
এর পর.....
-
দেশটাকে তাঁরাই দুই ভাগে বিভক্ত করে ফেলেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংকটের গভীরতা উপলব্ধি না করেই প্রতিটি এলাকায় প্রতিরোধ কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন। মনে রাখা দরকার, এটি ১৯৭১ সাল নয় যে প্রতিরোধ কমিটি গঠনের আহ্বান জানালেই সবাই ঝাঁপিয়ে পড়বে। ক্ষমতাসী
-
শান্তি শান্তি শান্তি চাই !!!! দিনরাত শান্তি পাবার পথ খুজছি । কেউ বলে থাকেন কোন এক বিশেষ ধর্মই নাকি শান্তি এনে দিতে পারে (আমি বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটের কথা বলছি); তাদের কাছে সনাতন তথা হিন্দু ধর্মই তাদের প্রধান অন্তরায় ।। কিন্তু এই যদি শান্তি নমুন হয় তবে হিন্
-
গরীব ০-১৮ বছর বয়স র্পযন্ত সকল শশিুদরে রশেন র্কাড দনি যে রশেন র্কাডরে মাধ্যমে জন্ম থকেে ১৮ বছর বয়স র্অথাৎ উচ্চ মাধ্যমকি র্পযন্ত সকল শশিু সম খাবার,সম কাপড়,সমঘর,সম লখোপড়া,সম চকিৎিসা খরচ পাবে এবং ৬০ র্উদ্ধাে সকল বৃদ্ধ বৃদ্ধাদরে সকল দায়ত্বি রাষ্ট্রীয় তত
-
কর্ণেল তাহের হত্যার পূর্ণাঙ্গ রায় ইতিহাসের দায় মোচন! কর্ণেল আবু তাহের এর মৃত্যুদন্ড হত্যাকান্ড। এমন অভিমতে তাহের হত্যা মামলার পূর্নাঙ্গ রায় প্রকাশ করেছে বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী ও বিচারপতি শেখ মোঃ জাকির হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ।
-
বাংলাদেশ যদি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হয় তাহলে গোপন চুক্তি কেন? সংসদে কোন আলোচনা না করে মিডিয়াকে অন্ধকারে রেখে লোকচক্ষুর আড়ালে ভারতের সাথে এতো এতো গোপন চুক্তি কেন?ভারতকে ট্রানজিট দিয়ে কোটি কোটি টাকার মাশুল আদায় করে বাংলাদেশকে সিঙ্গাপুর বানানোর স্বপ্ন দেখি
-
ভোটরে আগে লখতিি অংগীকার দনি আমরার্ নবাচিতি হলে সমস্ত বাংলাদশরেে দরদ্রি ব্যাক্তদরেি ও সকল জনগনরে জন্য ভক্ষুকি মুক্ত,বশ্যোমুক্ত,বস্তি ফুটপাতে মাানুষ ঘুমাবনো,সকল নাগরকরেি দায়ত্বি রাষ্ট্র গ্রহন করবে নরাপিদ ঘর ও স্বাস্থ্য সম্মত জীবন ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করবো।
-
শাহবাগ এর আস্তিক ব্লগার দের দ্ স্টি আকর্ষন করছি,, আন্দোলোন সর্বজন গ্রহনযোগ্য করার জন্য নাস্তিক ব্লগারদের শাহবাগ থেকে বের করে দিন,, যদি কোন নাস্তিক ব্লগার নবী সাঃ কে নিয়ে কটুক্তি সত্যি করে থাকে, তাহলে তাকে অবান্চিত ঘোসনা করুন,
-
শুধু ইসলামী ব্যাংকই নয়, ইসলামী ব্যাংক থেকে ঋণ সুবিধা গ্রহনকারী সকল বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান এবং ইসলামী ব্যাংক থেকে অর্থনৈতিক সুবিধা গ্রহনকারী সকল ব্যাক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে বর্জন করুন।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।