জেব্রা মাছের ৭০% জীন মানুষের মতোই। এ মাছের জিন একদম মিলে যায় মানুষের জিনের সাথে। একদল গবেষক এ বিষয়টি দীর্ঘ দিন গবেষনার পর এ তথ্য দিয়েছেন। জেব্রা মাছের সাথে মানুষের জীনের এই মিল খুঁজে পাওয়ার পর বিজ্ঞানীরা জেব্রা মাছের স্বভাব এবং বিভিন্ন কাজ বিশ্লেষণ করা শুরু করেন এবং তারা বিশেষ কিছু উল্লখযোগ্য ঘটনা প্রত্যক্ষ করেন।
National Academy of Sciences এর গবেষণা অনুযায়ী, মানুষের জিনের সাথে সামঞ্জস্য পূর্ণ জিনের অধিকারী এই পচনশীল ক্ষুদ্র মাছের শরীরে cadaverine নামের বিশেষ যৌগ রয়েছে, এছাড়া এসব জেব্রা মাছ একে অপরকে বিভিন্ন সিগন্যাল দিয়ে বিপদের সতর্কতাও পাঠাতে সক্ষম।
ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থের সংস্পর্শে এলেই উজ্জ্বল সবুজ রঙে জ্বলে শারীরিক ক্ষতির কথা জানান দেয় মাছটির শরীরের বিভিন্ন অংশ।
জেব্রা মাছ গবেষণা করে এর মাধ্যমে পুরো প্রাণীজগৎ ও মানুষের শরীরে বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ কিভাবে এবং শরীরের কোন কোন অংশে ক্ষতি করতে পারে সে ব্যাপারে নানাবিধ নতুন তথ্য আবিষ্কার করতে সক্ষম হবেন বিজ্ঞানীরা।
অপরদিকে বিজ্ঞানীরা আরও বলেন, এই জেব্রা মাছ তাদের ক্ষতিগ্রস্ত হৃদ পিণ্ড নিজেরাই পুনঃর গঠন করতে পারে। এছাড়া এর শরীরে থাকা রিএক্টরের মাধ্যমে সামনে থাকা বিভিন্ন খাবারের মাঝে কোন বিষাক্ত খাবার থাকলে তার সতর্কতা পাঠাতে পারে।
জেব্রা মাছ ব্যবহার করে এর আগে বিরল কিছু অসুস্থতার রহস্য ভেদ করতে সক্ষম হয়েছেন।
ফলে সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা জেব্রা মাছ নিয়ে বিশেষ গবেষণা চালাচ্ছেন।
সূত্রঃ দিটেকজার্নাল
।অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।