আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

আমাদেরও শৈশব ছিল, কিন্তু এরকম ছিল না

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের জন্য রইল শুভ কামনা প্রাইমারী স্কুল, হাইস্কুল, কলেজ ও মেডিক্যাল কলেজ পেরিয়ে আজকে একজন চিকিৎসক হয়েছি। পড়াশুনার তাগিদে বিভিন্ন জায়গায় দৌড়াতে হয়েছে, প্রাইভেট পড়েছি, কোচিং সেন্টারে গেছি। কিন্তু আমাদের বাবা মা কখনই আমাদেরকে হাতে ধরে স্কুলে নিয়ে যান নি। আমার মা কখনোই আমার কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাননি, আর আমার বাবা সর্বসাকুল্যে ৭-৮ বার গেছেন, বিকেলে আমরা বন্ধুদের সাথে খেলতে বের হতাম, কম্পিউটার বা মোবাইলের কথা চিন্তাও করতে পারিনি। মোবাইল প্রথম দেখি কলেজে ফার্স্ট ইয়ারে উঠার পর।

আর বাসায় কম্পিউটার কেনা হয় মেডিকেল কলেজে চান্স পাওয়ার পরে। এখনকার শিশুদের যে বিষয়টা দেখছি। এরা বাসা থেকে বলতে গেলে একদমই বের হয়না। সারাদিন কম্পিউটারে গেম খেলে। বাবা মারা এদের পিছনে যেভাবে লেগে থাকে মনে হয় যেন বাবা মায় পরীক্ষা দিচ্ছে।

অভিভাবকদের এই ধরনের মানসিকতা সন্তানদের মানসিকভাবে পঙ্গু করে দেয়। তারা নিজ থেকে কোন কাজ তো দূরে থাক, কোন সিদ্ধান্তই নিতে পারেনা। আর আরেকটি কথা বলব কম্পিউটার নিয়ে। আমাদের দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় এমন কিছু নাই যার জন্য ৭ম কিংবা ৮ম শ্রেণীর ছাত্র-ছাত্রী দেরকে কম্পিউটার কিনে দিতে হবে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় যে, একটা মেধাবি ছাত্র যে পরীক্ষাতে বরাবর ভাল ফলাফল করে আসছিল।

কম্পিউটার কিনে দেয়ার পর সে আর কাঙ্খিত রেজাল্ট করতে পারছেনা। এরকম উদাহরন ভূরি ভূরি রয়েছে। ।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.