তারা ভরা রাতের নিষাচর... ঠিক সকাল ছটা। ঘুমটা ভেন্গে গেল। আমি লাফ দিয়ে উঠি। চারদিকে আলো হয়ে গেছে। এই গরম কালে রাতগুলো বেশ সল্পস্থায়ী।
তাই সারাদিনই ঘুম ঘুম। জানালাটা খুলতেই একরাশ মিষ্টি ভোরের বাতাস। রিনরিন শব্দে মোবাইলটা এলার্ম দিয়ে যাচ্ছে। আমি হাত মুখ ধুয়ে বাইর হই নীচে। বয়স্কা মহিলারা গল্প করতে করতে হাটছে।
এর মাঝে বেশ নীল শাড়ি পড়া তন্বিকে দেখে মনটা বেশ উদাস হয়ে গেল।
সুন্দরী মেয়ে দেখলে অধিকাংশ পুরুষ একটু উদাস হন। কেউ কেউ আগ্রহী হয়, আর কেউ কেউ হতাশ হন। কেউবা দীর্ঘশ্বাস ছাড়েন, আতি আগ্রহী কেউ কেউ পিছু নেন। আমিও যে সাধু পুরুষ নই তা আর বলতে।
তবে পিছু নেওয়ার সুযোগ নেই তাই বেশ হতাশ হলাম। স্বাস্থ্য সচেতন সুন্দরী নিশ্চয় বাংলাদেশে খুব কম। সুন্দরী দুধে আলতা মেষানো রং দামি গাড়ি থেকে নামবে এইটাই চিরচারিত বাংলা সিনেমার অংশ। তবে বাসে টেম্পুতে প্রায়শই সুণ্দরী আপুদের দেখা মেলে বাস্তবে। এখন বিদেশের মতো ভোর সকালে জগিং থুক্কা হাটাহাটিরত সুন্দরী দেখে বেশ পুলকিত হলাম।
তবে সুন্দরী কিচ্ছা বাদ... আসল কথায় আসি।
হেটে এসে মনটা বেশ ফুরফুরে হয়ে গেল। শার্ট প্যন্ট গুজে যখন অফিসে যাচ্ছি তখন মনটা একটু খারাপ হওয়া শুরু। অফিসে এসেই রোজকার মতো একঘেয়েমি। একটু পরেই কারেন্ট নেই... জেনারেটরে শুধু লাইট জলে ফ্যন সব বন্ধ..ঘেমে নেয়ে অল্প ক্ষনেয় মেজাজা বিলা পুরোদোস্তুর।
দুপুরে খাইতে গেলাম হোটেলে। হোটেল থেকে আসতে আসতে পুরা আরেকদফা ঘামা... আমাদের দুপুরের পর ক্লাসে ঢুকে স্যর বলতেন কিরে পাঠার গন্ধ পাচ্ছি আসলো কোথা থেকে? আমার মনে হলো সত্যিই গা থেকে পাঠার গন্ধ বেরোচ্চে... দুপুরে একটু ঝুরানি আসতেই স্যরের চোখে পড়ে গেলাম। স্যর এইসা বকা বকলেন মনে হলো সত্যি সত্যি বলির পাঠা হয়ে গেছি...তাই মনের দুঃখে এই আজাইরা পোস্ট।
কেউ রাগ কইরেন না বাই.......এ
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।