রাতের আকাশের নগ্নতা খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখি কিন্তু পারি না মনের আকাশ দেখতে।
না, সে আর হল না। কাল রাতে সিগারেটটা আর ধরালাম না। সিগারেটের পিপাসা যে কি, তা সিগারেট খোর মাত্রই জানে। কে যেন বলেছিল, "রক্ত কথা কয়"।
এটা অন্য ব্যাপার। কিন্তু আমার ধারণা সিগারেট রক্তের ভেতর থেকে কথা কয়। সকালে একটা টান না দিলে পেটটা ঠিক ক্লিয়ার হয় না।
যা হোক, সিগারেট হাতে নিয়ে ম্যাচ খুঁজছি। হঠাৎ মনে পড়ল আমার "ওর" কথা।
একবার ফোনে আমাকে বলল, তুমি কখনও সিগারেট খাওনি?
আমি বললাম "না"।
কখনও না?
আবারও বললাম "না"।
এমনি টেস্ট করতে পারতা।
খুব করে হাসেছিলাম। ও খুব থতমত খেয়েছিল।
বললাম, অনেক কিছুই করতে ইচ্ছে করে। সব টেস্ট করা কি ভাল? রাস্তায় কত শত মেয়ে যায়। ওদের কাছে গিয়ে যদি টেস্ট ম্যাচ খেলি, তাহলে কি সেটা ভাল?
কথাকলি বলেছিল, ধুর কার মধ্যে কি!
ও হো!!! নামটা মুখ থেকে বেরিয়ে গেল। কথাকলি হল আমার সে। আসল নাম বলছি না।
কথাকলি নামটা আমারই দেয়া। সে খুব কথা বলত। কন্ঠ খুব সুন্দর। সাধারনত: কাল মোটা মেয়েদের কন্ঠ সুন্দর হয়। কিন্তু কথাকলি পুরা বিপরীত।
প্রথম দিকে ওকে আসল নাম ধরে ডাকতাম। পরে কথাকলি নাম দিয়ে ডাকতে ডাকতে আসল নামে ডাকতে আর ভাল লাগে না।
যে এত সুন্দর করে কথা বলে, মনটাকে ভরিয়ে দেয়, তাকে সারাজীবনের জন্যে একটা উপাধি দিয়ে দিয়েছি। নিজের স্বার্থেই স্বার্থপরতা করেছি। আর সবার কাছ থেকে আলাদা করে ফেলেছি।
নামাটা ভেতর আমিত্ব কাজ করে। সে যাই হোক, নামটা কথাকলির ভীষণ পছন্দ। আমার সবটুকু আনন্দ ওখানেই।
আমার চিন্তা গুলো কখনও দীর্ঘস্থায়ী হয়না। দু' ঠোটের ফাঁকে সিগারেটটা ঝুলিয়ে কিছুক্ষণ ঝিম মেরে বসে থাকলাম।
একে একে অনেক কথাই মনে পড়ল। যখন মনে হল সিগারেট ধরানোর কথা, তখন আর মুড নেই.................
আগের সূত্র:
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।