একটা কিছু করে না দেখালে শান্তি নাই..............
ড্যান ব্রাউনের সাথে পরিচয় সবার মতো আমারও ভিন্চি কোড থেকে.....সেই শুরু........তারপর ডিসেপশন পয়েন্ট,অ্যান্জেলস এন্ড ডেমনস,ডিজিটাল ফোরট্রেস গোগ্রাসে গিলেছি.........যদিও ভিন্চি কোডের মতো ভাল কোন টাকেই লাগেনি..
দ্য লস্ট সিম্বল বাজারে আসার আগেই অনেক হাইপ তৈরি হয়ে গিয়েছিল...বইয়ের প্রথম নাম ছিল সলোমনস কি....সেইটারে পরে চেন্জ করেছে.....ওদের ওয়েবসাইটেও অনেক বড় বড় কথা লেখা ছিল...তাই আশাও বেড়ে যাচ্ছিল......
শেষ পর্যন্ত বইটা রিলিজ পাইল......বেশ কয়েকদিন অপেক্ষা করেছিলাম বাংলা অনুবাদের জন্য.....কিন্তু তর সইতে না পারায় শেষ পর্যন্ত মূল বই কিনেই পড়া শুরু করে দিলাম.........শেষ করতে ২ দিন লেগেছে.......তবে শেষ করার পর অনূভূতিটা শেয়ার করার জন্যই বেছে নিলাম ব্লগকে...
বইয়ের কাহিনী বিন্যাস যথারীতি আগের গুলার মতোই....শুরুও একই...
এবারের ঘটনা ঘটছে ওয়াশিংটনে....কাহিনীতে নিয়ে আসা হয়েছে মেসনিকদের........রবার্ট ল্যাংডনের এবার লক্ষ্য ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সিক্রেটকে...........লস্ট সিম্বল......যে সিক্রেট টা ধারনা করা হয় যে লুকিয়ে রাখা আছে ওয়াশিংটনে......মেসনিকরা এটা লুকিয়ে রেখেছে অশুভ শক্তির হাত থেকে এটাকে রক্ষার জন্য..........
লস্ট সিম্বলে ল্যংডন যেসব ভবনে দৌড়াদৌড়ি করেছেন
শেষেরটা ভালো করে চিনে রাখুন
যাই হোক ঘটনাবলী বলে দিলে মজাই নষ্ট হয়ে যাবে........আমি বরং বইতে নতুন জানতে পারা কিছু তথ্য,কোড,সিম্বল,এসব শেয়ার করি........
এটার নাম Apotheosis_of_George_Washington
মেসনিকদের সম্পর্কে হাজার হাজার তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে আছে....তবে এই বই পড়ার আগে আমার কেবল নাম জানা ছিল.....বই থেকে আরো জানতে পেরেছি যে.....আমেরিকার প্রথম প্রেসিডেন্ট জর্জ ওয়াশিংটন ছিলেন একজন মেসন.......থমাস জেফারসন ও ছিলেন মেসন......তাছাড়া বর্তমান বিশ্বের অনেক নামকরা ব্যক্তিবর্গ রা হচ্ছেন মেসন........
সবচেয়ে মজার বিষয় হচ্ছে মেসন দের বিশ্বাস পুরাই একক অস্তিত্বে......অর্থাৎ তারা আস্তিক.....এবং বিজ্ঞানকে তারা ধর্মের সাথে একসূত্রে বাধতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন..........
বইয়ে বেশ কিছু কোড ভেদ করেন ল্যাংডন........একটা কোড ভেদ করতে তিনি টেনে এনেছেন জার্মান আলব্রেখট দুরের এবং তার বিখ্যাত মেলেনোকোলিয়া ছবিটাকে.....
যে ছবি ১৫১৪ সালে সমাপ্ত হয়েছিল....সেইখানে ছিল মজার মজার কিছু তথ্য এবং একটি ম্যাজিক স্কয়ার.....
.......
স্কয়ারের মজাটা হচ্ছে যেদিকেই সব সংখ্যাকে যোগ করা হোক না কেন উত্তর কেবল ৩৪ ই হবে
এই স্কয়ার ব্যবহার করে ল্যাংডন আগে পাওয়া আরেকটা কোডের রহস্য ভেদ করেন..........যার রেজাল্ট আসে
jeova sanctus unus.........ল্যাটিন শব্দ যার বাংলা হচ্ছে একজন সত্যিকার সৃষ্টিকর্তা..........বা One True God........
এই শব্দটা আবার বিশেষ একজন বিজ্ঞানীর নামের pseudonym.....
তিনি হচ্ছেন.....isaacus netonuus.....
অবশেষে নিউটোনিয়ান স্কেল ব্যবহার করে একটি বিশেষ পিরামিডকে ৩৩ ডিগ্রি তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করে পাওয়া যায় Order Eight franklin square কে......(( এই ৩৩ সংখ্যাটারও একটা চমৎকার মাজেজা বইতে দেয়া আছে))
Order Eight franklin square
যা সেই পিরামিডে আগেই হিডেন করা ছিল........The secrets hidden within the order.......এর পরে........
অর্থাৎ এই কোড টা ভেদ করলেই কেল্লা ফতে..........তারপর আরেকটা সিম্বল পান ল্যাংডন........Order Eight franklin square ব্যবহার করে তিনি সেই কোডটাও ভেদ করেন.........তবে যেভাবে বলছি এত সহজে না!!!!!!!!!!!!
এই বইয়েও ভিলেন আছে........ল্যংডন রে একসাথে ভিলেন আর সিআইএর মোকাবেলা করতে হয়েছে.........তবে শেষ হাসি ল্যাংডনেরই((আমাদের মাসুদ রানা))
আর সেই লস্ট সিম্বলটা কি জানেন???????
একটা শব্দ!!!!!!!!!!!!!!!
শব্দটা হচ্ছে---Praise God............
সকল প্রশংসা আল্লাহর..........
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।