যুদ্ধাপরাধীর বিচার ও জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধ করার দাবী করছি
ছোট বেলায় দেখতাম প্যান্ট শার্ট পড়ে শিক্ষিত ভাব নিয়ে কিছু লোক কোর্ট কাচারীতে বসে থাকতো। এদের কাজ ছিলো উকিলের জন্যে ক্লায়েন্ট ধরা। উকিল কি আসলে সত্য কথা বলে বা ক্লায়েন্ট কি জেলে গেল - এগুলো এদের ভাবার বিষয় নয়।
এরা ছিল আমার দেখা নিম্ন শ্রেনীর দালাল।
এখন ব্লগে দেখি তার চেয়েও নীচু শ্রেনীর দালালের বিচরন।
একজন বলছে - মুজাহিদ মিথ্যা বলেছে বলে মনে হচ্ছে না। তারপর নিজের মনমতো কিছু বয়ান দিলো - যা পাকি দালাল মুজাহিদের দালালীর নামান্তর।
অনেক আগে সেই ব্লগারকে প্রশ্ন করেছিলাম - মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানার জন্যে কোন বই পড়েছেন?
উত্তর ছিল - কোন বই পড়িনি কারন সব্ই বায়াস্ড মনে হয়।
আজিব কথা, কোন বই নাম শুনেই বা মলাট দেখেই বায়াস্ড মনে হয় - তা এই জ্ঞান কোথা থেকে পেলেন যে কোন বই বায়াস্ড কিভাবে বুঝা যায়?
উত্তর পাইনি।
উত্তরটা আমরা জানি।
মগবাজারের আলফালাহ প্রেস - যা মধ্য প্রাচ্যের দেশগুলো অর্থে চালিতে - যার উপর ভর করে কিছু লোক দৃশ্যত কোন আয় না করেই পাজোরো চড়ে - তার থেকে যে রূপকথা ছাপা হয় তা গোপনে হাত বদল হয়ে চলে যায় এই নির্বোধ প্যান্ট-শার্ট ওয়ালাদের কাছে।
কিন্তু ঠিক ৩ কিলো মিটার দুরে মাসব্যাপী বই মেলায় এরা যায় না। গেলেও যায় নারীদের পোষাকের বিষয়ে গবেষনা করার জণ্যে। এই নিয়ে আবার জ্ঞানদানমূলক রচনা লিখে।
এই সব টাউট থেকে সাবধান।
যারা মুক্তিযুদ্ধের বিষয়ে বাচ্চা বাচ্চা প্রশ্ন করে - তাদের বিষয়ে সতর্ক থাকুন।
বাংলাদেশের সব নাগরিকের আবশ্যিক দায়িত্ব হলো মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানা। জানা কারা মুক্তিযুদ্ধের নায়ক - কারা ভিলেন।
যারা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে খুচরা বিতর্ক সৃষ্টি করার চেষ্টা করে - তাদেরকে বাম হাত দিয়ে একটা চড় দেওয়া জরুরী আর চড়ের বিকল্প হিসাবে ব্লক করে রাখা উচিত।
(দেখুন নির্বোধ দালালের সাথে বাতচিত)
[তার মধ্যে একটা কমেন্ট:
***** বলেছেন :
২০০৭-০৫-১৪ ২২:৪৬:৪১
একটা ভয় আছে.... আপনার দেয়া বই পড়লে আবার আপনাদের মত হয়ে যাই কিনা।
তারপরও সাহস করে পড়ব...... চিন্তা কইরেন না। ]
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।