রাজধানীর পুরানা পল্টনের হাউজ বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশনের ভবনে ও জিপিওতে আগুন দেওয়া হয়েছে। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সেখানে আগুন জ্বলছে। পুলিশ ফাঁকা গুলি ছুড়তে ছুড়তে হাউস বিল্ডিং পর্যন্ত এগোচ্ছে। জিপিওতে আগুন নেভাতে যাওয়ার সময় ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি আটকে দেওয়া হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে এ খবর জানা গেছে।
এর আগে পল্টনের র্যাংগস ভবনে আগুন দেওয়া হয়েছে। সেখানে সকালের খবর পত্রিকার কার্যালয় রয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা গিয়ে আগুন নেভান। আগুন ও সংঘর্ষের কারণে ওই ভবনে থাকা সকালের খবর পত্রিকার বেশির ভাগ সাংবাদিক ও কর্মী আজ রোববার কার্যালয়ে ঢুকতে পারেননি।
ঘটনাস্থল থেকে আমাদের প্রতিবেদক ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুর থেকেই পল্টনে হেফাজতে ইসলামের কর্মীরা বিভিন্ন জায়গায় ভাঙচুর চালাচ্ছেন ও আগুন দিচ্ছিলেন।
দুপুরে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) কার্যালয়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। সহিংসতার এক পর্যায়ে সিপিবি কার্যালয়ের উল্টো দিকের র্যাংগস ভবনে আগুন দেওয়া হয়। এ সময় ওই ভবনের নিরাপত্তাকর্মীদেরকেও মারধর করা হয়। ওই ভবনের আটতলা ও নয়তলায় সকালের খবরের কার্যালয়।
আমাদের প্রতিবেদক ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, র্যাংগস ভবনের আগুন নেভানোর জন্য ফায়ার সার্ভিস চেষ্টা করলে হেফাজতের লোকজন তাতে বাধা দেয়।
পরে পুলিশের পাহারায় ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আগুন নেভানোর কাজ করে।
সকালের খবর পত্রিকার প্রধান প্রতিবেদক সাইফ দিলাল প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, ‘সন্ধ্যায় তাঁদের ভবনে আগুনে দেওয়া হয়। আগুন ও সংঘর্ষের কারণে তাঁদের বেশির ভাগ সাংবাদিক ও কর্মী কার্যালয়ে আসতে পারেনি। তবে এই অবস্থার মধ্যেও সোমবার সীমিত আকারে পত্রিকা বের হবে’।
ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পল্টন এলাকার বেশকিছু স্থাপনায় আগুন দেওয়া হয়েছে।
আগুন নেভাতে যাওয়ার সময় ফায়ারের গাড়িতেও বাধা দেওয়া হয়। তবে পুলিশ পাহারায় ফায়ারের কর্মীরা কাজ করছে। ।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।