আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

কৈশোরের নীল ছবিতে একটি কালো মনের জন্ম....

প্রতিদিনই অদ্ভুত এক ইচ্ছা জাগে আমার, ইস!আমি যদি কচ্ছপ হতে পারতাম। কি চমৎকারভাবে মাথাটা দেহের ভিতরে গুটিয়ে নিয়ে পথ চলতে পারতাম,শরীরে শক্ত একটা খোলস থাকতো, অপমান বোধটা গায়ে লাগতো না। কিন্তু নিয়তির ছকে আমি বাধা, আমি কখনো কচ্ছপ হয়ে উঠিনা। কোকিল ডাকা নিঝুম দুপুর। মাধ্যমিকের মেয়াদ তখনও শেষ হয়নি।

এলাকার সিডির দোকানে চিরকুট দিয়ে পাঠিয়েছিলাম পাড়ার দুষ্ট ছেলেটিকে। কিন্তু কাজ হয়নি। এরপর নিজেই গেলাম দলবল নিয়ে । দেখি গোটা পাঁচেক ছেলে এসে নীল ছবির সিডি চাইতে না চাইতে হালিম চাচা বাড়িতে বলে দেযার ভয় দেখিয়ে ভাগিয়ে দিচ্ছিল। কিন্তু আমরা নাছোড়বান্দা।

পয়সা দিয়ে সিডি ভাড়া নেব। তাতে আবার অত ন্যাকামি, লুকানি কিসের? গোপনে তো কতজনকেই সিডি নিতে দেখি। অতঃপর জিন্সের প্যান্টের ভিতর সিডি গুঁজে বাড়ির সামনের কাচারীতে ফিরে দরজায় ছিটকানি। তারপর............ সেই শুরু। এরপর নীল ছবি দেখা হয়েছে বহুবার বহুভাবে।

এরপর যৌবনের জোয়ার আসার সঙ্গে সঙ্গে কোমল শরীরের সঙ্গ, সানিধ্য পেতে মনের আকুলি বিকুলি। ছোট খালার মেয়ে হয়েছে শুনে রাগে দেখতেই যাইনি। তখনই উপলব্ধি করতাম, নরম শরীরের প্রতি আমার একটা প্রবল আকর্ষণ রয়েছে। আমার মধ্যে তীব্র কামনা কাজ করছে। আসলে যৌনতার কোনও বয়স নেই।

ছোটবেলায় মায়ের সঙ্গে লোকাল ট্রেনের ভিড়ে যেতে গিয়ে যখন এক ভদ্রনারীর কোলের ওপর বসেছিলাম, তখন আমার মধ্যে একটা আলাদা অনুভূতি হয়েছিল। বড় হয়ে সেটা নিজের মতো করে বুঝেছি। আজও সেই অনুভূতি আমার মনে আছে। কৈশোরের নীল ছবির বদৌলতে যৌনতার একটা ফ্যান্টাসি জন্ম নেয় মনের গহীনে। নারীর সুডৌল কোমল মাসল কাছে টানতে থাকে।

মেয়েরা যাতে অ্যাট্রাকটেড হয় সে জন্য হাঁটা-চলার পরিবর্তন,চেহারায় ফেয়ার এন্ড লাভলি মাখা, চুলগুলো সালমান স্টাইলে রাখা আর কত কি? তার ফলও হাতেনাতে পেয়ে যাই। হাইস্কুলের সেকেন্ড গার্লের সঙ্গে প্রথম প্রেম জমে। শরীর কথা বলে ওঠে ওর সঙ্গে। মেয়েটি যদিও খুব কনফিউজড্ ছিল। কয়েক মাস গভীর প্রেমে ডুবে আমায় চুমু খেলেও পরে নিজেই আমাকে ছেড়ে অন্য ছেলের প্রেমে পড়ে।

আসলে প্রেম কখনও পারমানেন্ট হয়না। প্রেমের একটা এক্সপায়ারি ডেট থাকে। বড় হতে থাকি, আমার সামাজিকতা তৈরি হয়। এরপর কোমল শরীরের সংস্পর্শ। তবে সেটা শরীরের জন্যেই, কেবলই ভালবাসাহীন কামনা, অতপর ঘৃর্ণা।

আসলে শরীরটা কেবলই ক্ষণিকের শান্তির আধার…. ।

সোর্স: http://www.somewhereinblog.net     দেখা হয়েছে ১২ বার

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.