এটা আমার জন্য অনেক সুখকর যে, আমি এখন ব্লগ ও ফেইসবুক থেকে নিজেকে আসক্তিমুক্ত রাখতে পারছি। পরিবার ও পেশাগত জীবনের কর্মব্যস্ততা অনেক আনন্দের।... ব্লগে মনোযোগ দিতে পারছি না; লিখবার ধৈর্য্য নেই, পড়তে বিরক্ত লাগে। সনেটের অন্ত্যমিল ও পঙ্ক্তি-বৈচিত্র্য : প্রথম পর্ব-এর ১৮ নং মন্তব্য থেকে সূচনা। প্রতিরাতে বারোটা বাজলেই তোমাকে দেখি শিফন শাড়িতে ঝরে পড়ে সুনিপুণ হাসি তখন ভাবি ছাইছুতো এ ব্লগ লেখালেখি এর চেয়ে ঢের ভালো প্রেম-ভালোবাসাবাসি তোমার ছায়ামুখ একটু আধটু যা দেখি- অঙ্গে অঙ্গে সুধা, সুরে তুমি গানের বায়স! এসব রম্যকথায় হাসি পেলে আমি গেছি গোপন ঘুমগুলো কেড়ে খাবে রাত্রিরাক্ষস। তুমি ভাবো এসব লিখেছি তোমার উদ্দেশে আড়ালে আবডালে কেঁদেকুটে চোখে করো ঘা মিছেমিছি নিজেকে কষ্ট দাও ক্রূর আক্রোশে আদতে এ হলো একটি সনেটের খসড়া। সনেট অন্য কিছু না, মামুলি কবিতা মাত্র এ লিখে নষ্ট হলো একটি মূল্যবান রাত্র সনেটের অন্ত্যমিল ও পঙ্ক্তি-বৈচিত্র্য : দ্বিতীয় পর্ব-এর ১০ ও ১৪ নং কমেন্টে প্রত্যাবর্তন।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।