এবারের মৌসুমে চেলসি আবারও ফিরে পেয়েছে হোসে মরিনহোকে। এ সময়ের অন্যতম সেরা এই কোচের তত্ত্বাবধানে আবারও শিরোপা জয়ের স্বপ্নে বিভোর চেলসির সমর্থকেরা। চেলসি নিশ্চয়ই খুশি, তবে খুশি তাদের নগর প্রতিদ্বন্দ্বী ফুলহামও। ফুলহামও যে পেয়েছে মরিনহোকে! ইনি অবশ্য জুনিয়র মরিনহো। স্পেন থেকে ইংল্যান্ডে ফেরার পর মরিনহোর ছেলে হোসে মারিও মরিনহো যোগ দিয়েছে ফুলহামের যুবদলে।
তাই বলে মরিনহো জুনিয়রকে এখনই ফুলহামের জার্সি গায়ে মাঠে নামতে দেখা যাবে না। তার বয়স যে মাত্র ১৪ বছর। বাবার সঙ্গে ইংল্যান্ডে ফেরার পর ফুলহামের একাডেমিতে ট্রায়াল দিয়েছিল মারিও। সেখানে ভালো পারফরম্যান্স দেখিয়ে নজর কেড়ে নিয়েছে ফুলহাম কর্তৃপক্ষের। ইতিমধ্যেই তার সঙ্গে এক বছরের চুক্তি করে ফেলেছে লন্ডনের এই ক্লাবটি।
ফুটবল বিশ্বে পিতামহের পদাঙ্কই অনুসরণ করতে যাচ্ছে মারিও মরিনহো। ১৯৭০-এর দশকে হোসে মরিনহোর বাবা হোসে ম্যানুয়েল মরিনহো খেলতেন গোলরক্ষক হিসেবে। জায়গা করে নিয়েছিলেন পর্তুগালের জাতীয় দলেও। বংশের সবচেয়ে জুনিয়র মরিনহোও বেছে নিয়েছে গোলপোস্টের নিচের জায়গাটিই।
এখন ফুটবল ক্যারিয়ারটা কতখানি দীর্ঘায়িত করতে পারবে, সেটা দেখার জন্য বেশ কয়েক বছর অপেক্ষাই করতে হবে।
তবে বাবা চেলসিতে আর ছেলে ফুলহামে থাকার কারণে লন্ডনের এই দুই ক্লাবের প্রতিদ্বন্দ্বিতাটা যে আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে, সেটা নিশ্চিতভাবেই বলা যায়।
মজার ব্যাপার হলো, মরিনহো জুনিয়রের ফুলহামে যোগ দেওয়ার খবর টাটকা থাকতে থাকতেই চেলসি মুখোমুখি হচ্ছে ক্লাবটির। ২১ সেপ্টেম্বর চেলসি-ফুলহাম ম্যাচ!।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।