চলে যেতে যেতে বলে যাওয়া কিছু কথা নাস্তিকেরা অবিশ্বাসী তাদের এই অবিশ্বাস একসময় সবকিছুকেই ষ্পর্শ করে। তাদের এই অবিশ্বাস তাদের মুক্ত করে সব ধরনের বন্ধন থেকে, সামাজিক, অর্থনৈতিক কিংবা ধর্মীয়।
এমনই একজন নাস্তিকের গল্প এটি।
প্রথমেই সে বাবার ধর্মকে অবিস্বাস দিয়ে শুরু করে তার যাত্রা। এবং অযৌক্তিক ভাবে।
বাবা তোমারে যে আল্লাহ বানিয়েছেন তার প্রমান দাও।
যুক্তি দিয়ে বুঝিয়েও যখন লাভ হয়নি তখন বাবা বললেন, আমার কথাই যখন তর বিশ্বাস হয়নাই, আমিই যে তোর বাপ তার প্রমান কি?
সেই নাস্তিক তখন সেটি প্রমানে উঠেপড়ে লাগল। এরজন্য বিজ্ঞানের দ্বারস্থ হওয়াটাই তার কাছে বুদ্বিমানের কাজ বলে মনে হল। একমাত্র বিজ্ঞানকেই বিশ্বাস করা যায়। ডিনএ পরীক্ষার ব্যবস্থা করল সে।
পরীক্ষায় প্রমানিত হল, সে তার বাবা নয়। নাস্তিকটি তখন চেপে ধরল, তুমি আমার বাবা নও, কে আমার বাবা।
এবার তার বাবা বলল, আমি বিদেশে ছিলাম ৩ বছর, সে সময় তর জন্ম হয়, তাই আমি জানিনা, তোর মাকে জিজ্ঞাসা কর।
এবার সে মায়ের সামনে হাজির। মা, আমার বাবা কে।
হঠাৎ তার মনে হল এটিই যে তার মা তার প্রমান কি?
তাই সে মায়েরও ডিনএ পরীক্ষার ব্যবস্থা করল।
এবার তার আরো অবাক হওয়ার পালা। ডিএনএ মিলছে না।
মাকে চেপে ধরল, বল আমার মা কে।
মা অনেকক্ষন নিশ্চুপ থেকে বললেন।
"আমি সন্তান নিতে অক্ষম ছিলাম, তাই বছর বিশেক আগে তোমায় দত্তক নেই। তোমার মাবাবারা খুব স্বার্থপর ছিলেন, তাই তোমাকে হারিয়ে তাদের খুব একটা দুখী মনে হয়নি"
এবার নাস্তিকের হতাশ হওয়ার পালা, সেই স্বার্থপর মাবাবাকে খুজে পাবার কোন সুযোগ নেই, সুযোগ নেই কে তার মাতাপিতা সেটি প্রমানের। হাল ছেড়ে দেয়া ছাড়া উপায় রইল না তার।
তবে সে আত্বতৃপ্তি লাভ করল, এই ভেবে, সে এখন সবকিছু থেকে মুক্ত।
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।