আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

একটি প্রেম কাহিনী

জীবন েযখােন েযমন

আমার বাসায় সার্বক্ষনিক সহযোগিতার জন্য যে মেয়েটি থাকত, ও আবার প্রেমে পড়েছে। আমি বলছি ঠিক আছে , তুমি সব সময় ফোনে যোগাযোগ কর, আর একদিন আসতে বল, দেখি কেমন ছেলে , খোজ খবর নেই। যোগ্য ছেেল হলে না হয় বিয়ের ব্যবস্থা করে দেব। মেয়েটি খুব স্মার্ট কখোনো যদি মন খারাপ করত ওর মন ভাল করার ওষুধ আমার জানা ছিল বলতাম হ্য ারে কাজলী, তারেক ছেলেটা কি ফোন টোন করে? অমনি ওর মন ভাল হয়ে যেত শুরু করে দিত হ্যা করে, না হয় ওর মা অসুস্থ্য , ও খুব ব্যস্ত ইত্যাদি ইত্যাদি ওকে আমি বললাম ওকে আসতে বল , এদিকে তোর ও আবার বিয়ের বয়স হয় নি। ১৮ বছর না হলে তো বিয়ে দেয়া যাবেনা ১৮ বছর বলার পর থেকে আর আমার কাছে আর তারেকের ব্যাপারে উৎসাহ দেখাত না।

হঠাৎ সেদিন আমাকে বলল আপা আমি শূধু দ'দিনের জন্য বাড়ি যাব। বললঅম কেন? বলল ডা: দেখাব বললাম ঠিক আছে, ঢাকাতে অনেক ভাল ডা: আছে , কাল না হয় আমিই নিয়ে যাব। যত বায়নাই ধরে আমি , সেটাতে যদি বলি ঠিক আছে আমি করে দিচ্ছি , সে আবার অন্যটা বলে। হঠাৎ আমার মনে হল এটা কোন চালাকিবাজি হতে পারে। সে তো নাছোর বান্দা এক পর্যায়ে বলে ফেলল আমাকে বাধা দিলে আমি কিছু একটা করে ফেলব।

যাই হোক মেনে নিলাম , বললাম ঠিক আছে তোমাকে তো আর একা ছাড়তে পাড়িনা আগামী কাল আমি নিজেই কারো কাছে দিয়ে আসব যিনি তোমাকে বাড়ি পৌছে দিয়ে আসতে পারে। রাজি হল আমি বরিশালের লঞ্চে ওর বাড়ির কাছের এক লোকের কাছে দিয়ে বললাম যে করেই হোক ওর মায়ের কাছে পৌছে দেয়ার দায়িত্ব আপনের আমি চলে আসলাম কিছুক্ষন পরেই লোকটি ফোন করে বলল, আফা ওই মেয়ে তো পাশের দোকান থেকে ফোন করে পালিয়েছে। এখন আমি কি কি করব। আমি তাকে কিছূ টিপস দিলাম, সে অনুযায়ি অবশেষে মেয়েটিকে খূজে পাওয়া গেল। এবং দুজনেই বলল আমরা বিবাহিত।

অবশেষে ওর মায়ের বাড়িতে পৌছে দেয়া হল। ভাবলাম আসলে প্রেমের শক্তির কাছে সব কিছূরই পরাজয়

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.