_________________সেলাই গাছের কারখানা _______________________________________
সৈ য় দ আ ফ সা র
গতি
গতি-দাহ নিয়ে সন্দিহান চোখে; সেও আসতে পারে এমন কথা কাউকে বলা যাবে না দু-জনের সন্দেহে; এরকম চিন্তায় আমাদের সম্পর্ক মিশে যেতে পারে আ-ছোঁয়া ভ্রমর বাতাসে রূপকথার স্মৃতি বলতে আসিনি যা বলবো শুধু নিজের কাহিনী
নিত্য ধূপ জ্বেলে
একান্ত বিশ্বাসে সেও লেগে আছে জলে শৈবালে
মিশেল ফুকো’র মতো সত্যপথের ধ্যান কুড়াবার
বদলে শূন্যতা-বিষব্যথা জাগে শুষ্ক দেহের ছালে
আততায়ীচোখ আমাকে স্লো করে রাখে ধূম্র-প্রতীক্ষায়
নোখে-আঙুলে সুতরাং দাঁড়িয়ে থাকার ছলে বুকের
ক্ষত ছ্যাঁৎ করে ওঠে কোর্তায় তোমাদের জামার পকেটে
দেহ থেকে ক্ষয়ে যাচ্ছে ভ্রমজাল,গা-মাছির জলে তৈরি
হচ্ছে বাসনাফুল কৌশলে; নিত্য ধূপ জ্বেলে
উষ্ণফুল
দেহের উষ্ণফুল! এতো দিন মনে হতো
সেও দ্যুতিময়; হয়ত সীমিত আকরে
অভিজ্ঞতাগুলো ঠুকে রাখে স্থিতমনে আর-
চুপিচুপি আবিষ্কার করে কীভাবে
দেহে উষ্ণফুল ফুটে
কিন্তু তুমি পূর্ণতাসন্ধানে দেহের আকর গিলে পড়ে গেলে ফাঁদে
অপূর্ণতা ক্রমে ক্রমে মিলিয়ে যাচ্ছে দেখো শেষ বিকেলের রোদে
শুকনো পাতা
শুনে ভীষণ ভালো লাগে যখন দেখি
তোর চোখের কাছে জমা বহুকালের
আহত স্মৃতি
বলছে তারও রয়েছে চারচোখা ইর্ষার বাতি
ভাবছি পরস্পর কিছুই ঘটেনি; যতটা এগুলে
তোর গতির চাইতে বাড়তি অনুভূতি
বিগত দিনের ব্যথা এখনিই ভুলে যাবার কথা
তাতে কতটুকু দূরে দাঁড়ানো ফলধরা ব্যর্থতা
কিছুই জানলি না-
কিন্তু কী আশ্চর্য! এমন ভালো লাগার সাথে
লুপ্ত ছিল তার টান-টান গভীরতা
তুমিও চিনে রাখো শুকনো
সংঘর্ষ
অসাড় হাওয়ায় কী অদ্ভুত কাণ্ডে এসব ঘটল
কাল ওই ধাক্কাটা সহসা বেগে ব্যথা পেল
কী অলক্ষণে তা স্থানচ্যুত হল
শেষ পর্যন্ত সিঁড়ি বেয়ে পায়ের সাথে
জোড়ায় জোড়ায় শব্দগুলো উপরে উঠল
শরীরে হাত দিয়ে ধাক্কাটা অনুভব হয়নি
কোথায় হারালো-
যে যাই বলো; সেদিন কেনো এমন হল
ধাক্কাটা বুকের ভেতর ঘূর্ণির মতো নাড়াল
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।