"পসার বিকিয়ে চলি জগৎ ফুটপাতে, সন্ধ্যাকালে ফিরে আসি প্রিয়ার মালা হাতে"
["অনিন্দিতা" এই শিরোনামে ধারাবাহিকভাব লেখা অনেকগুলো পোষ্ট এক সময় ব্যক্তিগত কারনে মুছে ফেলেছিলাম। আজ থেকে পুনরায় সেই লেখাগুলো পুনরায় পোষ্ট আকারে প্রকাশ করছি। ]
অনিন্দিতা,
কী ভীষণ লাজুক ছিলে তুমি!
সেই যে ফাগুনের শেষ দিনগুলোতে, রাকসু'র সাহিত্য আসর বসেছিল
অডিটোরিয়ামে। জমজমাট পবিবেশ চারিদিক। আমি ছিলাম সাহিত্যের
সবকটি ইভেন্টে।
বিতর্ক, বক্তৃতা, স্বরচিত কবিতা পাঠ, আবৃত্তি চলছিল
ভিন্ন ভিন্ন পর্বে। প্রতিদিন দেখতাম তোমাকে। অন্যসব বান্ধবীদের সাথে
তুমিও বসতে দ্বিতীয় সাড়িতে। শেষদিন সন্ধ্যায় পুরষ্কার বিতরণী শেষে
তোমার বান্ধবী লীনা এগিয়ে এসে বললো, "আপনি তো ভীষন গুনি!
এতোগুলো পুরষ্কার একাই জিতে নিলেন"! তুমি দাঁড়িয়ে ছিলে পাশে।
অন্য বান্ধবীরা তখন মুখ টিপে হাসছিল।
সেই প্রথম তোমায় খুব কাছে
থেকে দেখা। উত্তরে লীনাকে বলেছিলাম, "ধন্যবাদ। গুনমুগ্ধ কিছু শ্রোতা
পাওয়া গেল"। অন্য সবাইকে বাদ দিয়ে তোমাকেই জিজ্ঞেস করেছিলাম,
"আপনি কোথায় থাকেন? কোন হলে"? জবাবে বলেছিলে, "শহরে থাকি,
মাষ্টারপাড়া"। আমি খুশী হয়ে বলেছিলাম, "বেশতো, আমিও শহরে থাকি"।
কথা আর তেমন এগোয়নি সেদিন। এরপর প্রায়শঃই দেখা হতো, আসতে
যেতে চলার পথে। কলা ভবনের সামনে, লাইব্রেরী কিংবা বাস স্ট্যান্ডে।
দেখা হবার জন্য দেখা হতো, দেখবো বলে দেখা হতো, দেখার ইচ্ছে
হলেই দেখা হতো। নানা উছিলায় দেখা হতো।
চোখে চোখে কথা হতো।
কখনও সামনা সামনি হলে শুভেচ্ছা বিনিময়, এর বেশী তেমন কিছু নয়।
এরপর মনের সিঁড়ি বেয়ে একটু একটু করে উপরে উঠে যাওয়া। অতঃপর,
এক সময় আপনি থেকে তুমিতে নেমে যাওয়া। মনে মনে শুধু তোমাকে চাওয়া।
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।